গর্ভাবস্থায় নিয়মিত যত্ন কেন জরুরি?
গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরে অনেক পরিবর্তন হয়। নিয়মিত চেকআপে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং কোনো সমস্যা আগেভাগে ধরা পড়লে সহজে সমাধান করা যায়।
প্রথম তিন মাস (১ম ত্রৈমাসিক)
- গর্ভাবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তার দেখান।
- ফলিক অ্যাসিড শুরু করুন।
- রক্তচাপ, রক্তের গ্রুপ, এবং বিভিন্ন পরীক্ষা করান।
- বমি বমি ভাব স্বাভাবিক — ছোট ছোট বারে খাবার খান।
দ্বিতীয় তিন মাস (২য় ত্রৈমাসিক)
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি করুন শিশুর বিকাশ দেখতে।
- ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং করান।
- শিশুর নড়াচড়া অনুভব করতে শুরু করবেন।
তৃতীয় তিন মাস (৩য় ত্রৈমাসিক)
- প্রসবের পরিকল্পনা করুন।
- শিশুর অবস্থান দেখতে আল্ট্রাসনোগ্রাফি।
- শিশুর নড়াচড়া কমে গেলে বা বন্ধ হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার দেখান।
সঠিক পুষ্টি
প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, এবং ফলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার খান। ডাক্তার পরামর্শ দিলে সাপ্লিমেন্ট নিন।
কখন জরুরি বিভাগে যাবেন?
- তীব্র মাথাব্যথা ও দৃষ্টি ঝাপসা হলে।
- মুখ ও হাত ফুলে গেলে।
- যোনি থেকে রক্তপাত হলে।
- শিশুর নড়াচড়া হঠাৎ কমে গেলে।
- প্রসব ব্যথার মতো ব্যথা হলে (৩৭ সপ্তাহের আগে)।
মনে রাখবেন
প্রতিটি গর্ভাবস্থা আলাদা। আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন এবং কোনো সন্দেহ হলে দেরি না করে জিজ্ঞেস করুন।